স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ৫টি টিপস

আমাদের সকলের মাঝে প্রত্যাশা থাকে 'প্রখর স্মৃতিশক্তি' সম্পন্ন হওয়া। কিন্তু সবাই এই গুণের অধিকারী হতে পারেন না। কিন্তু জেনে রাখুন, ‘প্রখর স্মৃতিশক্তি' শুধু বর্তমানেই নয়, আপনার ভবিষ্যতেও এটি একটি বড় সম্পদ হতে পারে। এর অধিকারী হলে জীবনে সাফল্য অর্জনের সম্ভাবনা অনেকাংশেই প্রবল হয়।

অন্যদিকে, ‘দুর্বল স্মৃতিশক্তি' সম্পন্ন ব্যক্তির জীবনে হিতে বিপরীত ঘটতে পারে। নানাবিদ কারণে স্মৃতিশক্তি ‘দুর্বল’ হয়ে যেতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে স্মৃতিভ্রম হওয়া। এটি হলে ব্যক্তি তাৎক্ষণিক কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। যার ফলে জীবনে সফল হওয়া তো দূরের কথা, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকতে হয়। তবে আপনার প্রাত্যহিক জীবনে বেশ কয়েকটি টিপস ও কৌশল অবলম্বন করে সহজেই স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়। তো চলুন এবার সেই টিপস ও কৌশলগুলো জেনে নেই-

১. খাদ্য : স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখার পূর্বশর্তই হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। তা হতে পারে প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি, ফলমূল, আমিষ ও উপকারি চর্বিযুক্ত খাবার (মাছ, বাদাম, অলিভ ওয়েল) ইত্যাদি। এসকল পুষ্টিকর খাবারের দ্বারা আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

২. ব্যায়াম : যেকোনো ধরনের ব্যায়াম, যেমন- দৌড়, সাঁতার, হাটাহাটি, সাইকেল চালানো, জগিং স্মৃতিশক্তির জন্য খুবই ভালো। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্মৃতিশক্তিজনিত রোগ নিরাময়েও এটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

৩. ঘুম : পর্যাপ্ত ঘুম শুধু শরীরের জন্য নয়, মনের জন্যও অপরিহার্য। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, ভালো ঘুম স্মরণশক্তি বাড়াতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

. স্মৃতি-সংক্রান্ত ডিভাইস : কিছু কিছু বৈজ্ঞানিক ডিভাইস কোনো কিছু মনে রাখতে সহায়তা করে। যদিও এ সকল বৈজ্ঞানিক ডিভাইস বাংলাদেশে সবসময় পাওয়া যায় না।

. কবিতা/ছড়া : শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কবিতা বা ছড়া পাঠের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ছড়া বা কবিতা পাঠ বড়দের স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

সুতরাং আপনি যদি মনে করেন আপনার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাচ্ছে বা জানাশোনা অনেক কিছুই আপনি আগের মত আর মনে রাখতে পারছেন না! তাহলে আর দেরি না করে এসব টিপস ও কৌশলের আশ্রয় নিন। ধন্যবাদ।

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ