হার্ট সুস্থ রাখার সহজ সহজ কিছু টিপস

আমাদের দৈনিক জীবনের হাটের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে আমরা অনেকেই অবহেলা করছি কিন্তু আমাদের সচেতন থাকতে হবে সচেতন না থাকলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে আবার অনেক ক্ষেত্রে নিজের অলসতার জন্য হার্ট দুর্বল হয়ে যায় আশার দুর্বল হলে আমাদের কি কি করনীয় সেগুলো আমরা অনেকেই জানি না অনেকেরই বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নেই তাই আমাদের অবশ্যই জানা উচিত ঘরোয়া উপায়ে কিভাবে আমরা আমাদের হার্ড সুস্থ রাখবো দুর্বল হলে কি করব সেগুলো আমাদের অবশ্যই জানা উচিত অনেক গবেষকরা না করে অনেক উপায় বের করেছেন এবং মাঝে মাঝে এগুলো বাতিল করেছেন তার মধ্যে কিছু উপায় আছে সেগুলো আমি আপনাদের জানাবো।

হার্টের রোগ এমন একটি বিষয় যা বাইরে থেকে দেখা যায় না আমাদের নিজেদের সচেতন থাকতে হবে অনেকে মনে কিনে করেন স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে যথেষ্ট কিন্তু না এর বাইরে আমাদের অনেক কিছু করা প্রয়োজন যেগুলো আমাদের জানা নেই অবশ্যই আমাদের জানা প্রয়োজন আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়

হার্ট রোগের কারণে অনেকে মৃত্যু হতে পারে বড় কিছু হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে তাই আমাদের অবশ্যই সচেতন হতে হবে নারীদের ক্ষেত্রে বেশি মৃত্যুর আশংকা হয় আমাদের পেশাব করা গবেষণায় করে করার অনেক উপায় বের করেছেন চলুন জেনে নেওয়া যাক হার্ট ভালো রাখতে গেলে কি কি করবেন হার্ট দুর্বল হয়ে গেলে আমাদের কি কি করনীয়

বালিশে মাথা রাখুন সময় মতঃ আগের রাতে ঘুম হয় না তাদের সব থেকে বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করেন তাই আমাদের বেশি প্রয়োজন ঘুমের। তাই প্রয়োজনের থেকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে কারণ পরিশ্রম করলে দেখবেন ঘুম ভালো হয় এবং ঘুম আসে।

 দৌড়ান নিয়মিতঃ এটা খুব ভালো একটা উপায়। হার্ট ভালো রাখতে হলে আমাদের প্রতিদিন ৩কিলোমিটার দৌড়ানো প্রয়োজন এক্ষেত্রে দৌড় শুরু এবং শেষ করার পর হার্টের সংখ্যা লিপিবদ্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন গবেষকরা।

 সামাজিক যোগাযোগ রাখাঃ  একা বসবাস করলে বা অন্যদের সাথে মিশুক না হলে অন্যদের তুলনায় বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তাই সমাজের মানুষের সাথে কথা বলতে হবে আনন্দের সাথে থাকতে হবে এতে মন ভালো থাকবে এবং হার্টও ভালো থাকবে।

হাসি-খুশি থাকুনঃ সবসময় হাসিখুশি থাকতে হবে পরিবারের মানুষের সাথে আনন্দে থাকতে হবে হাসিখুশি না থাকলেও মন ভার করে থাকলে তাদের মধ্যে চিন্তাভাবনা বেশি বাড়তে থাকে এবং হার্ট দুর্বল হতে থাকে তাই চেষ্টা করতে হবে আনন্দে থাকার। সময় পেলে পরিবারের সাথে ভ্রমণ করতে হবে এতে মন অনেক ভালো থাকবে এবং হার্ট অনেক সুস্থ থাকবে।

গরুর দুধ পান করুনঃ গরুর দুধে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বিরোধী কম ঘনত্ব সম্পন্ন লিপোপ্রোটিন  হার কমতে সাহায্য করে।দুধে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন থাকে। দুধে থাকা ক্যালসিয়াম চর্বি কাটে সাহায্য করে।

ফুরফুরে মেজাজঃ ফুরফুরে মেজাজে তাহলে ইচ্ছামতো গান গাইতে পারেন এতে মন মেজাজ ভালো থাকে মনের চিন্তা ভাবনা করে এবং হার্টও অনেক সুস্থ থাকে।

সাইকেলে আরোহন করাঃ ঘরের বাইরে যাওয়ার সময় বাজারে যাওয়ার সময় সাইকেল আরোহন এর চর্চা বাড়িয়ে দিন প্রতিদিন অন্তত দশমিনিট সাইক্লিং করুন হৃদ যন্ত্রের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করবে।

 খাদ্যের সাথে পটাশিয়াম যুক্ত খাদ্য যোগ করুনঃ প্রতিদিন খাদ্যের তালিকার সাথে ক্রমাগতভাবে যুক্ত করুন পটাশিয়ামযুক্ত খাবার। এক্ষেত্রে কলা, মিষ্টিআলু, গাজর, অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন চিকিৎসকরা। এগুলো হার্টের জন্য খুবই উপকারী।

ত্বকে দিন সূর্যের আলোঃ দিন 20 মিনিট করে সূর্যের আলো গ্রহন করালে শরিলে নাইট্রিক অক্সাইড এর উৎপাদন বাড়াতে থাকে। যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

 শিম বরবটি খাদ্যের তালিকায় রাখেনঃ আলু কিংবা কলাই জাতীয় খাবার এরচেয়ে গুটি যুক্ত  খাবার লতা সিম বরবটি এগুলো খেতে পারেন। রক্তচাপ কমাতে সাহায্য  করে তাই প্রতিদিন খাবারের তালিকায় এগুলো রাখতে পারেন। চিকিৎসকরা এগুলো হার্টের জন্য অনেক উপকারী বলেছেন।

গৃহপালিত পশুদের সাথে সময় কাটানঃ নিজেকে রোগমুক্ত রাখতে গেলে বাড়ীর গৃহ পালিত পশু বিড়াল কুকুর বা পাখিদের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। অন্য প্রাণীদের প্রতি উদারতা হলে নিজের হার্ট অনেক সুস্থ ও ভালো থাকে।

পরিবারের সাথে টেবিলে অংশগ্রহণ করুনঃ যারা পরিবারের সাথে খাবার টেবিলে অংশগ্রহণ করেন না তারমধ্যে 27% হার্টের রোগী থাকেন। পরিবারের সাথে একসঙ্গে খাওয়ার টেবিলে হাসি খুশিতে মনের কথা  বললে এবং পরিবারের সাথে  সময় কাটালে মন অনেক ভালো থাকে  এবং হার্ট অনেক সুস্থ থাকে।

সপ্তাহে 2 বার শারিরীক সম্পর্কঃ যারা সঙ্গীর সাথে মাসে একবার শারীরিক সম্পর্ক করে থাকেন তাদের থেকে যারা সপ্তাহে দুইবার সঙ্গীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে বা তার থেকেও বেশি করে থাকেন তাদের হার্ট বেশি সুস্থ থাকে।

শারীরিক সম্পর্ক হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া কে নিরাপদ রাখে। যে রকম পোশাক তাপমাত্রার হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

 মসলা হলে দারুচিনিঃ মসলা ব্যবহারের আপত্তি থাকলেও দারুচিনির ব্যবহার হৃদপিণ্ডকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে । প্রতিবেলা খাবারের সাথে দুই চা চামচ দারুচিনি রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে আনে। এমনকি মাংস খাওয়ার পরেও।

 দূষিত বায়ু এড়িয়ে চলুনঃ সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে দূষিত বায়ুর পরিমাণ বেড়েই চলেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতকালের সকালে পূর্ব দিকে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে।  সাধারণত বাতাসে থাকা অতিরিক্ত ধাতব পদার্থ নিঃশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে যে কারণে রক্ত সঞ্চালন  বাধাগ্রস্ত হয়।

লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করুনঃ লিফট এবং ডিজিটাল যুগে আমরা সিঁড়ির ব্যবহার ভুলতে বসেসি। কিন্তু এইভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। আপনার রোজকার রুটিন ওয়ার্কআউট সিঁড়ি ব্যবহার যোগ করুন।  হার্টকে সুস্থ রাখুন।

মুখের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুনঃ মুখের স্বাস্থ্য আপনার সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য কেমন তার নির্দেশক। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, মুখের স্বাস্থ্য খারাপ হলে হার্টের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে থাকে। আপনার দাঁত এবং মাড়ি সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ব্রাশ করুন এবং দাঁত পরিষ্কার রাখুন। আপনার দাঁতের সমস্যা দেখা গেলে তা ক্যাভিটি ছাড়া অন্য রোগের নির্দেশক হতে পারে।

লবণ এবং চিনির পরিমাণ কম করুনঃ বেশি চিনি খেলে দেহে কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়তে থাকে। এবং অতিরিক্ত লবণ উচ্চ রক্তচাপ তৈরি করে। দৈনন্দিন জীবনে আমাকে এগুলো ব্যবহার করতেই হবে এগুলা পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাবে না। শুধু খাওয়ার পরিমাণ টাকা কমাতে হবে পাশাপাশি ক্রিম যুক্ত খাবার খাওয়া যাবেনা   এড়িয়ে চলতে হবে।

বেশি মোটা হলে ক্যালোরি কমিয়ে দেনঃ হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের চর্বি যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। চিনি এবং লবণ কম খান। ভিটামিন মিনারেল আছে এমন খাবার খান এতে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা কম আছে

ধূমপান বা নেশা জাতীয় জিনিস এড়িয়ে চলুনঃ ধূমপানের অপকারিতা সম্বন্ধে সবাই জানি। এ বদভ্যাসটি ছাড়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো পথ নেই যে যার মত চেষ্টা করে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং পরিবারের পরামর্শক এ দুটি মিলিয়ে চেষ্টা করলে শুফল আসলেও আসতে পারে ধূমপানের অপকারিতা দিকগুলো একটু ভাবুন এবং সচেতন হোন এটা ছাড়ার জন্য উপকারিতা দিকগুলোর  দিকে সচেতন হতে পারেন ধূমপান বন্ধুদের সাথে সংঘ না দেওয়ায় ভালো হবে। মদ্যপান এড়িয়ে চলুন এটা ধূমপানে বেশি আকৃষ্ট করে শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে ধূমপানের ইচ্ছা কম থাকে যে কোন কর্মের মধ্যে থাকলেও ধূমপানের ইচ্ছাটা কম থাকে

মানসিক চিন্তা ভাবনা কমানঃ হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে মানসিক অশান্তি কোন বিকল্প নেই। কিন্তু কর্মক্ষেত্রের পরিবারের সমাজের মানুষ থেকে নানাভাবে চাপে থাকে। এসব চাপ যেমন তেমনি  মোকাবেলা করতে হবে তেমনি বুদ্ধি করে কমাতে হবে প্রতিদিন কাজের শেষে অন্য আলাদা সময় বের করতে হবে পছন্দের গান গাইতে হবে বই পড়তে হবে ভ্রমণ করতে হবে কোন কারনে কষ্ট পেলে বন্ধু বা পরিবারের সাথে ভাগাভাগি করে নিন এ ধরনের অভ্যাস হৃদ রোগে নিয়ে আসতে পারে এজন্য দরকার সমাজের মানুষদের সাথে সাথে কর্মস্থলের মানুষদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা

তেলাক্ত মাছ এবং হলুদ খাওয়াঃ তেলাক্ত মাছে তিনটি ফ্যাটি এসিড থাকে এটিহাস হাটের স্বাস্থ্যের  জন্য উপকারী। এটি হার্ট এর জন্য বেশ উপকারী তাই হার্ট ভালো রাখতে গেলে কাঁচা হলুদ খান

সামুদ্রিক মাছ খানঃ সামুদ্রিক মাছ হার্টের জন্য খুবই উপকারী। রূপচাঁদা, রপসা, কোরাল, লাক্ষা জাতীয় মাছ বাংলাদেশে পাওয়া যায় সেগুলো খাওয়া যেতে পারে। বিদেশে মাসের মধ্যে টুনা হেরিং ইত্যাদি যদি সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে এগুলো খাইতে পারেন।

প্রতিদিন ডিম খানঃ প্রতিদিন ডিম খেলে শুধুমাত্র আমাদের শরীরে প্রোটিনের যোগান আসে তাই নয় শরিলে কার্ডিওভাসকুলার কমাতেও ভূমিকা রাখে হার্টে রক্ত চলাচলের ভারসাম্য বজায় রাখতে হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ সাহায্য করে।

সবুজ শাকসবজিঃ শরীরের উপকার আমাদের সবুজ শাকসবজি খাওয়া অনেক প্রয়োজন এটি আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারী। তার মধ্যে এক নম্বর দিতে হয় পালংশাক কে ভিটামিন যুক্ত এই সাক ধমনীতে সুরক্ষিত রাখেএবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য  করে চোখের কার্য ক্ষমতা বাড়ে।

পরিমিত বিশ্রাম নিনঃ দৈনিক কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নিন। স্রেফ কিছু করবেন না কোন চাপ নেওয়ার দরকার নেই। পরিমিত বিশ্রাম নেওয়া হৃদপিন্ডের জন্য জরুর।  অনেক চিকিৎসকরা ডায়াবেটিকস চিকিৎসকরা মানসিক চাপকে হৃৎপিণ্ড রোগের খলনায়ক হিসেবে বিবেচিত করেছে।  তাই মানসিক চাপ দেওয়া যাবে না মানসিক চাপ হৃদপিণ্ডের উপর মারাত্মকভাবে প্রভাব ফেল।  তাই মাঝে মধ্যে কাজের সময় মানসিক চাপ পড়লে বা শরীরের উপরে বেশি চাপ পড়লে কাজ ফেলে উঠে দাঁড়াতে হবে কাজের দিকে তাকালে হবে ন।  কাজ কিছুক্ষণ পর হলেও করা যাবে কিন্তু শরীরটা আগে। তাই কাজ ফেলে একটু উঠে দাঁড়িয়ে বা একটু বিশ্রাম নিয়ে তারপর আবার কাজ করতে পারেন। মানসিক চাপের সময় সাংসারিক বা অফিসের কাজ ভুলে যান। কিছু খন হলে পরিমিত বিশ্রাম নিন। মন খুলে বিশ্রাম নিন দেখেন মেজাজটা ফুরফুরে লাগছে মনটা অনেক ভালো লাগছে। বিশ্রাম নেওয়ার সময় হয় বসে না হয়ে শুয়ে সেটা আপনার বিষয় তবে পরিমিত বিশ্রাম নিলেই হবে। বিশ্রাম নিলে তো মন ভালো হয়ে যাওয়ার পরে দেখবেন কাজের প্রতি আরো উৎসাহিত করে তুলবে

খেলার ছলে ব্যায়ামঃ হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে গেলে ন্যূনতম 30 মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। কিন্তু ও যদি ব্যায়ামের অভ্যাস না থাকে তাহলে শরীরের ওপরে এত চাপ দেওয়া যাবেনা। শারীরিকভাবে অনেক সমস্যা হতে পারে মানসিক সমস্যা হতে পারে এতে শরীর আরো খারাপ হয়ে যাবে। এজন্য বাসায় বাচ্চাকাচ্চা থাকলে তাদের সাথে খেলাধুলা করতে হবে।  বাচ্চাকাচ্চা না থাকলে সমস্যা নেই বিকেলে একটু হাটাহাটি বা বাড়ির কাজ করে ব্যায়ামের কাজ টা   আমরা সেরে নিতে পারি। তবে একবারে যে 30 মিনিট ব্যায়াম করতে হবে এর কোন মানে নেই সকালে 10 মিনিট দুপুরে 10 মিনিট 20 মিনিট এভাবে যদি বাড়ির কাজ করেন তাহলে দেখবেন এমনিতেই হয়ে যাবে।

খাদ্যাভাস পাল্টানোঃ আমরা উৎস  থেকে ক্ষতিসাধন স্নেহপদার্থ খেতে বেশি ভালোবাসি। যেমন, ধরুন ভাজাভুজি ফ্যাটযুক্ত খাবার এগুলো আমরা বেশি খেতে ভালবাসি। কিন্তু হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে আমাদের এসব খাদ্যাভাস পাঠাতে হবে। কিন্তু কিভাবে ছাড়বেন? এটা তো আপনার অভ্যাস হয়ে গেছে। ছাড়তে উপায়। আছে ধীরে ধীরে এ অভ্যাসটা পাঠাতে হবে। যেমন, ধরেন ট্রেডমিলের মেনুতে লোফ্যাট যুক্ত খাবার খেলেন দুগ্ধজাত ভাজাভুজি এসব খাবার রেখে জলপাই কিংবা ক্যানোলা অয়েল খেতে পারেন। খাওয়ার সাথে লবণের পরিমাণ অনেক কম দিবেন লবণঅনেক ক্ষতি করে। প্রতিদিন খাবারের সাথে পাঁচশো মিলিমিটার রাখতে পারে খাওয়ার অনেক সুন্দর করে রান্না করলে শাকসবজি খেতে অনেক ভালো লাগে। শাকসবজি খাওয়ার অনেক উপকারে এর সাথে দানাযুক্ত খাবারও খেতে পারেন যেমন গমের রুটি বার্লি বাদামী চাল এগুলো খেতে পারেন।

আশা করছি আপনারা সবাই উপকৃত হবেন এই উপায়গুলো জেনে এবং এগুলো মেনে চলবেন।

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ