শুধু একটি খাবার রোজ খাওয়ান,আপনার শিশু কে রোগ মুক্ত রাখুন

শুধু একটি খাবার রোজ খাওয়ান আর ২-১২ বছরে শিশু কে রোগ মুক্ত রাখুন।সাধারনত আমরা অনলাইন এ সার্চ করলে    অনেক ধরনের আর্টিকেল দেখতে পাই এবং প্রায় সব আর্টিকেলেই বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোগ খমতা বাড়াতে ৬-৮ টি খাবারের প্রতি বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।যা একটি মদ্ধবিত্ত পরিবারে মেনে চলা একেবারে অসম্ভব বললেই চলে। বা মাঝে মাঝে পারলেও সব সময় মেইনটেইন করা যায় না।

এবং আমাদের বাচ্ছাদের সারা বছর সরদি,কাশি,জর,বুকে কপ জমা,কুষ্ট কাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং আরো বিভিন্ন প্রকার ছোট বড় কোন না কোন অসুখ লেগেই থাকে।তাই এই সমস্যা সমাধানে আমার এই লিখা। প্রিয় পাঠক.. আজকে আমি যে খাবারের কথা বলব তা হল😃 ডিম😃যা মোটামুটি নিম্ম থেকে উচচ বিত্ত সব ঘরেই থাকে। হে এটা ১০০% ঠিক যে আপনার শিশু নেচারেলি প্রতিদিন যে খাবার খায়, যতটুকু খায় তার পাশা পাশি যদি প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ান তাহলে তার সব ধরনের রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা গড়ে উটবে। তবে তাই বলে এটা নয় যে দুদিন ডিম খাওয়ালে অসুস্থ শিশু সুস্থ হয়ে উটবে।আপনি যদি প্রতিদিন আপনার শিশুকে একটি করে ডিম খাওয়ান তাহলে ধীরে ধীরে তার মদ্ধে রোগ প্রতিরোদ খমতা বাড়বে। এবং সে আগের চেয়ে অনেক কম অসুস্থ হবে।সে খাবার কম খেলেও সুস্থ  সবল থাকবে।

ধীরে ধীরে তার অন্ন খাবারের প্রতি আগ্রহ ও বাড়তে থাকবে। হে এটা কোন বলা কথা বা শুধু শুনা কথা নয় এটা আমার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা যা আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। কারন আমি জানি আমার মত এরকম অনেকেই বাচ্ছাদের অসুস্থতা নিয়ে টেনশনে থাকেন।এবং এমন অনেক বাচ্ছায় আছে যারা প্রতি মাসেই কোন কোন কারনে অসুস্থ হয়ে পরে। যেমন আপনার সুস্থ হাশি খুশি ছোট্ট সোনা মনিকে নিয়ে দূরে কোথাও বেড়াতে গেলেন,পথে একটু বাতাশ লাগলো,আর অমনি বাচ্ছাটার নাক দিয়ে পানি পরা শুরু হয়ে গেলো। এর মানে হলো আপনার বাচ্ছার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একে বারে কম। এমন কি ঠান্ডা বাতাশ লাগলে অনেক বাচ্ছার কাশি ও জরও চলে আসে।

 ঘরের সব চেয়ে ছোট আদরের সোনা মনিটাই যদি অসুস্থ থাকে তাহলে আর কোন কিছুই ভালো লাগেনা। তাই আপনার বাচ্ছাকে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ার অভ্যাস করেন, দেখবেন আপনার শিশুর রোগ প্রতিরোধ খমতা অনেক বেড়ে গেছে।আগে যে সব পরিস্থিতিতে সে এডজাস্ট করতে পারতো না, এখন সেসব পরিস্থিতিতে সহজেই এডজাস্ট করে নিচ্ছে। প্রিয় পাঠক এতক্ষন আমি বললাম ডিম খাওয়ালে কি উপকার হয় তা নিয়ে, এখন বলব ডিম ঠিক কোন ফর্মে খাওয়াবেন সেটা নিয়ে....

যেভাবে খাওয়াবেন=একেক বাচ্ছা ডিম একেক ভাবে খেতে পছন্দ করে।তবে আমি ডিমের প্রপার পুষ্টি পাওয়ার জন্য নেচারাল ভাবে খাওয়ানোকে বেশি গুরুত্ব দিই।কারন অনেকেই  বাচ্চাকে ডিফারেন্ট ওয়ে বা টেস্ট এর জন্য ডিম কে পুডিং,হালোয়া,কাস্টারড,সেন্ডুইজ বিভিন্ন ফরমে খাওয়াতে চাই।এবং অনেক বাচ্ছা নেচারাল ডিমের থেকে এসব ডেজার্ট খেতে বেশি পছন্দ করে।হে বাচ্ছা যদি এগুলো খেতে পছন্দ করে তবে বাচ্ছাকে অবশ্যই খাওয়াতে চেস্টা করবেন এতে বাচ্ছা ডিমের সাথে বাড়তি কেলরি ও বাড়তি পুষ্টও পেয়ে যাবে।কিন্তু এর পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তাকে যেকোন এক বেলা একটি নেচারাল ডিম অবশ্যই খাওয়াবেন। 

কিভাবে খাওয়াবেন=সেটা হতে পারে নরমাল ডিম পোস বা হালকা ফেটে লবন দিয়ে কম তেলে ভেজে খাওয়াতে পারেন বা সিদ্ধ করে খাওয়াতে পারেন।বা অম্লেট করে খাওয়াতে পারেন যেভাবে বাচ্ছা খেতে চায়। আমার বাচ্ছাকে আগে বিভিন্ন ডেজার্ট করে খাওয়ানো হতো কারন তারা সেটা নেচারাল ডিমের থেকে বেশি পছন্দ করতো। প্রতি দিন কোন না কোন ডেজার্ট  করে খাওয়ানো হতো কিন্তু তাদের অসুস্থ হওয়ার হাড় একটুও কম ছিলনা।আমার বাচ্ছারা তেমন কোন খাবার খেতে চাইতো না বা খেলেও খুব কম পরিমানে খেত।ঘন ঘন অসুস্থ  হতো।তাই আমি এটা নিয়ে অনলাইন এ রিসার্চ  শুরু করলাম।

এবং ঘেটে ঘুটে লন্ডন এর একজন সাদা সিদে পুষ্টি বিদের পোস্ট খুজে পেলাম।এই মুহুরতে তার নামটা আমার ঠিক মনে পড়ছে না এটা অনেক আগের কথা। তার কথা গুলো  আমার ভালো  লাগলো  তাই আমি একবার চেস্টা করে দেখলাম।প্রথম প্রথম বাচ্ছাদের অভ্যাস করতে অনেক কষ্ট হয়েছিলো।পরে আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে গেছে যে এটা খেতেই হবে।চার থেকে ছয় মাস পরে দেখলাম যে বাচ্ছারা আলহামদুলিল্লাহ আগের থেকে অনেক ভালো থাকে এবং আস্তে আস্তে অন্য রেগুলার খাবারেও আগ্রহি হয়। আমি এখানে ডিমের পুষ্টিগুন নিয়ে কিছু লিখলাম না কারন এটা সবাই জানে।তাই এখানে কিভাবে বাচ্ছাদের খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায় যেটা অন্যন খাবারের তুলনায় বেশি তার একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম।হয়তো কারো উপকারে আসতে পারে......তবে বাচ্ছদের অবশ্যই আস্তে আস্তে সব ধরনের খাবারে অভভাস করা উচিত।

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ