হিটলারের যত জানা এবং নাজানা জীবন কাহিনী

আসসালামু আলাইকুম।

এডলফ হিটলার আমরা সকলেই এই নামটির সাথে পরিচিত।এবং দীর্ঘ পরিচিত ছোটবেলা থেকে আমরা ইতিহাস পড়তে গেলে নানান জায়গায় নানান স্থানে নানান ভাবে এই ডিক্টেটর হিটলার সম্পর্কে পড়ে এসেছি। আজ আমরা পড়বো এই গ্রেট ডিক্টেটর হিটলারের জীবনী। তিনি কি কি করেছিলেন?তিনি  কিভাবে পুরো জার্মানিকে প্রভাবিত করলেন?কেনই বা তিনি ইহুদিদের দেখতে পারতেন না?একটি বালক যে ছবি আঁকতে ভালবাসতো সে কিভাবে একজন ডিক্টেটর এ পরিণত হল, এই সকল বিষয় গুলি আজ আমরা পড়বো। এবং আজ আমরা আলোচনা করব এডলফ হিটলারের জীবনী নিয়ে। 

20 এপ্রিল 1889 জন্মগ্রহণ করেন হিটলার। হিটলারের পিতার নাম ছিলো Alois Hitler. এবং তার মাতার নাম হল klara Hitler. হিটলার তার পিতার তৃতীয় স্ত্রীর পত্র ছিলেন। অর্থাৎ হিটলারের পিতা তিনটি বিবাহ করেছিলেন। এবং তার তৃতীয় স্ত্রীর পুত্র ছিলেন হিটলার। এডলফ হিটলারের আরেকটি বিষয় আপনারা কি সকলেই হিটলারের গুপ্তি লক্ষ্য করেছেন। এই গুপ্তি থেকে আরেকজন কার কথা মনে পড়ে। মনে পড়ছে চ্যালি চ্যাপলিন তাই না।

কোন সম্পর্ক ছিল নাকি হিটলারের সাথে চ্যালি চ্যাপলিনের? নাকি এমনি তাদের একই স্টাইল ছিল। যাইহোক হিটলারের কাছে এই গুপ্তি টি ছিল খুবই প্রিয়। যাই হোক চ্যালি চ্যাপলিনের যে কথাটি বললাম  না,দুজনের স্টাইল প্রায় একই। কে কাকে দেখে কপি করেছে এটা বলা খুবই মুশকিল। আপনারা হয়তো জানেন চ্যালি চ্যাপলিন 1889 সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  আর হিটলারের জন্ম সালও ছিলো 1889. যাই হোক একই সালে না হয় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তারা কোন মাসে জন্মগ্রহণ  করেছিল জানেন আপনারা? দুজনেরই Dath Of Month হল এপ্রিল। আর তাদের Dath ডেটে আছে সামান্য কিছু ডিফারেন্স চ্যালি চ্যাপলিন 16 এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। এবং এডলফ হিটলার 20 এপ্রিল জন্ম গ্রহণ করেন।

 আর আরেকটি বিষয় ২জনেই জার্মানির অধিবাসী ছিলেন। হিটলার জার্মানির ইস্টে জন্মগ্রহণ করেন তথা অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন । এবং চার্লি চ্যাপলিন জন্মগ্রহণ করেছেন ওয়েস্টে। যাই হোক আমরা গুপ্তি নিয়ে কথা বলতে বলতে এতদূর পর্যন্ত আসলাম এবং চালি চ্যাপলিন সম্পর্কে ও এডলফ হিটলারের ডেট অফ বার্থ সম্পর্কে জানলাম। একই জায়গাতেই দুইজন জন্মগ্রহণ করেছেন এবং একই জায়গা থেকে একজন হয়ে উঠলেন ডিক্টেটর আর একজন যা গোটা বিশ্বকে হাসাতে শিখেছিলেন। আর একজন লক্ষ-লক্ষ ইহুদি জাতি কে মৃত্যুর মুখে নামিয়ে দিয়েছিলেন।

আসা যাক এবার আসি হিটলারের পরবর্তী কাহিনীতে।ইহুদি তথা জিউসদের হিটলার সর্বদা ঘৃণার চোখে দেখে আসতো তো হিটলারের প্রথম ফ্রেন্ড ছিল একজন ইহুদি মেয়ে। কি আশ্চর্য লাগছে তাইনা এটাই সত্য। কিন্তু হিটলার তাকে কোনদিনই সাহস করে তার মনের কথা বলে উঠতে পারেনি।

হিটলারিই প্রথম এমন এক রাজনৈতিক নেতা যিনি বলেছিলেন Smoking Is Injurious To Health. যে কথাটি আজ আমরা টিভিতে নানান বিজ্ঞাপনের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি যে কথাটি হিটলার প্রথম বলে গেছিল আর অনেক বছর আগে বলে গেছিলেন। হিটলারকে আমরা বলি না লক্ষ লক্ষ মানুষের হত্যাকারী! কিন্তু তিনিই লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য এই কথাটি বলে গেছিলেন তিনি প্রথম দেখেছিলেন যে Smoking  কিভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে এবং এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও করেছিলেন।

1938 খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার টাইমস ম্যাগাজিন তারা হিটলারকে টাইটেল দিয়েছিল ম্যান অফ দ্যা ইয়ার,সময় ছিল 1939 যা বিশ্বযুদ্ধ হওয়ার কিছুদিন আগে। তখন হিটলার এর নামে মনোনীত হয়েছিল শান্তি স্থাপনের জন্য তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া।

আজ আমরা চলাচলের জন্য বিভিন্ন হাইওয়ে দেখে থাকিনা?                       এই হাইওয়ে কোথায় প্রথম সূচনা হয়েছিল জানেন? এটা হয়েছিল প্রথম জার্মানিতে এবং এই হাইওয়ের  সূচনা করেছিল প্রথম এডলফ হিটলার।হাইওয়ের সূচনার  এই কাজটিও তিনি প্রথম করেছিলেন। আরেকটি বিষয় হিটলার করে গেছিলেন সপ্তাহে 5 দিন কাজ করা এবং দুই দিন ছুটির ব্যবস্থা। এটিও প্রথম করেছিলেন এডলফ হিটলার। তিনি বলতেন 5 দিন কাজ করো এবং দুদিন নিজের পরিবারকে সময় দাও। এই সফল দিকগুলো ছিল হিটলারের ভালো দিক। এই সকল কাজগুলি হিটলার করে গেছিলেন। হিটলার নিজের দেশ এবং দেশবাসীকে খুবই ভালবাসতেন। আর ঘৃণা করতেন জিওস তথা ইহুদীদেরকে। এবং কেন ঘৃণা করতেন সে বিষয়টি আপনাদের সামনে অবশ্যই তুলে ধরব।

হিটলারের ছোট থেকে স্বপ্ন ছিল তিনি একজন পেইন্টার হবেন ছবি আঁকবেন। আর যদি তোমরা হিটলারের আঁকা ছবিগুলি দেখো তাহলে দেখবে হিটলার সত্যি একজন অসাধারণ প্রেইন্টার ছিল খুবই ভালো খুবই সুন্দর হিটলার ছবি এঁকে গেছেন। কিন্তু খুবই দুঃখজনক ব্যাপার অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে তিনি সেখান থেকে দুবার রিজেক্টেড হন। আর যদি সেখান থেকে তিনি রিজেক্টেড না হতেন তাহলে আজ আমরা একজন হিটলারের মত প্রেইন্টার  এর কথা বলতাম না। যাইহোক যেটা হয়ে গেছে সেটা হয়ে গেছে সেটা তো পাল্টানো যাবে না তবে ইতিহাসের স্টুডেন্ট হিসেবে হিটলারের জীবন কাহিনী আমাদের পড়তে হয়।

হিটলারের পিতা মারা যান 1903 সাল এবং তার কিছু বছর পরেই  1907 সালের ডিসেম্বর মাসে মারা যান হিটলার এর মাতা।তার পর হিটলার ভিয়েনায় চলে যায়। সেখানে তিনি এক মইদুল এর কাজ করতেন এবং ছবি আঁকতেন। হিটলারের কাছে অধিক আর্থিক অর্থ ছিল না। সামান্যটুকু পেনশন পেতো তার বাবা-মা মারা যাবার পর। সামান্য পেনশন দিয়ে এবং পোস্টকার্ড বিক্রি করে হিটলার অর্থ উপার্জন করতেন। এবং হিটলারের নিজস্ব বাড়িও ছিল। আর এভাবেই সময় পেরোতে থাকে এবং শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

এই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার যোগদান করেন আর্মিতে তার দক্ষতার জন্য দিনে দুবার এক্স এবং ব্ল্যাক হোম ব্যাচ ও পান। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন 1918 সালের এক দুর্ঘটনায় সামান্য কিছু দিনের জন্য হিটলারের চোখের আলো চলে যায়। এবং তার চোখের অসুস্থতার জন্য হিটলার কে নিয়ে যাওয়া হয় আর্মি হসপিটালে। এবং তিনি যখন সুস্থ হয়ে ওঠেন তখন দেখেন যে বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে এবং জার্মানির পরাজিত হয়েছে।আর তিনি তাতে গভীরভাবে শোকাহত হন। শোকাহত হওয়ার কারণ  ছিল তিনি তার দেশকে নিজের দেশবাসীকে খুবই ভালবাসতেন। আর তিনি মনে মনে ভাবতে শুরু করেন এই হার দেশের লিডারদের জন্য এবং নেতাদের জন্য হয়েছিল। আর হিটলার সেজন্য খুবই শোকাহত হন।

হিটলার একজন খুবই ভালো রাইটার ছিলেন। উনি যখন জেলে বন্দী অবস্থায় ছিলেন তখন তিনি একটি বই লিখেছিলেন। বইটির নাম ছিল মেইন ক্যাম্প। হিটলারের বিখ্যাত এই গ্রন্থ হলো মেইন ক্যাম্প যা তিনি জেলে বন্দী অবস্থায় লিখেছিলেন। এই বইটি পড়লে জানা যাবে হিটলারের চিন্তা ধারা কেমন ছিল? তার নাজি পার্টি স্থাপনা কিভাবে হয়? তার নাজি পার্টি সিদ্ধান্ত কি কি ছিল? হিটলারের সিদ্ধান্ত কি কি ছিল? তিনি কীভাবে গোটা দেশকে দেখেছিলেন তার সম্পূর্ণ চিন্তা ধারা এই বইটির মধ্যে  সীমাবদ্ধ হয়েছিল। এবং হিটলারের এই বইটি পুরো জার্মানিকে অনুপ্রাণিত করেছিল।

পুরো জার্মানিকে একত্রিত করতে সাহায্য করেছিল হিটলারের এই মেইন ক্যাম্প বইটি। এবং তৎকালীন সময়ে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল হিটলারের এই বইটি দা মেইন ক্যাম্প।

 

 1923 খ্রিস্টাব্দে হিটলার জার্মান সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছিলো  হিটলারের আগে যেই সরকার জার্মানিতে স্থাপিত ছিল। তাকে উৎখাত না করলে হিটলার নিজে কিভাবে সে জায়গায় আসবে সেজন্য তৎকালিন সরকারকে উৎখাত করতে। হিটলার 1923 খ্রিস্টাব্দে তৎকালিন সরকারকে উৎখাত করতে চেয়েছিলেন বটে কিন্তু তিনি সেটি করতে ব্যর্থ হন। আর সেই জন্যই তার কারাবাস হয়েছিল।  আর এই কারাবাসেই হিটলার রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্ধ দ্যা মেইন ক্যাম্প যা সারাবিশ্বে গিয়ে তিনি এই বইটি লিখেছিল।এবং গ্রন্থটিতেই ছিলো হিটলারের আত্মকথা।

হিটলার নিজ দেশ এবং দেশবাসীকে খুবই ভালবাসত এবং যতটা ভালোবাসতো নিজ দেশকে ঠিক ততটাই ঘৃণা করত ইহুদি তথা জিওসদেরকে। হিটলার মনে করতেন আর্য জাতিই হল সবার ঊর্ধ্বে। সকল জাতির থেকে বড়। এবং জার্মানিরা ছিল আর্য জাতির  সবার ঊর্ধ্বে সকল জাতির ঊর্ধ্বে। জার্মানিদের দরকার ছিল গোটা বিশ্বকে লিড করা গোটা বিশ্বকে পথ দেখানো ইত্যাদি। আর্য হলো একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হলো নোবেল। নোবেল অর্থাৎ প্রিয়শুদ্ধ। একদম শুদ্ধ। কিন্তু ইউরোপীয়রা এই ইন্দো কথাটি সরিয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিল। যাইহোক এবার হিটলারের কথায় আসা যাক।

হিটলারের পার্টির চিহ্নটি কি ছিলো তা লক্ষ্য করে দেখেছো কি। এই চিহ্নটি ছিলো স্বস্তির চেহ্ন তাই না! হিন্দুদের স্বস্তির চিহ্ন কি তাই তো। হ্যাঁ এটি হিন্দুদের স্বস্তিরচিহ্নো।

হিন্দুদের এই স্বস্তির চেহ্নটাই হিটলার তার পার্টির চিহ্ন হিসেবে বেছে নেন। হিটলার মনে করতেন জিউজ অর্থাৎ ইহুদিরা সকলেই জার্মানির কালচারকে বিনষ্ট করছে। তাই হিটলার এবার ইহুদি তথা জিউজ দেরকে জার্মানিদের কালচার বিনষ্ট করতে বাধা দেয়ার জন্য হিটলার ইহুদিদের  বিনষ্ট করার পথে এগোতে থাকে।

পাঁচ বছর আগে যখন হিটলারের মাতা অসুস্থ ছিলেন তখন এক ইহুদী ডাক্তার হিটলারের মাতার চিকিৎসা করছিল এবং এক ইনজেকশন দেয়ার পর হিটলারের মায়ের মৃত্যু ঘটে। আর তারপর থেকেই হিটলার ইহুদিদের প্রতি আরও রেগে যান এবং ইহুদিদের মৃত্যুর জন্য  ধ্বংস করার জন্য আরো বেশি ভাবে উৎবিগ্ন হয়ে পরেন। হিটলারের মাতার ক্যান্সার হয়েছিল এবং ইহুদি ডাক্তার হিটলারের মাতার চিকিৎসা করছিল এবং সেখানে তার মাতার মৃত্যু ঘটে। যার ফলে হিটলারের মনে আরো বেশি রাগের সৃষ্টি হয়।

অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে হিটলার যে লক্ষ লক্ষ ইহুদিদের মেরেছিল সেসকল হত্যার পেছনে ছিল এই হিটলারের মায়ের মৃত্যু। যেহেতু একজন ডাক্তারের হাতে হিটলারের মাতার  মৃত্যু ঘটে। যার কারনে লক্ষ লক্ষ ইহুদিদের মরণের মুখে ঠেলে দিয়েছিল।

হিটলার মানতেন জার্মান রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে গোটা বিশ্বকে শাসন করার জন্য। এবং আরেকটি বিষয় যেটি আপনাদের এখনো বলা হয়নি হিটলার সর্বোদয় নিরামিষ খাবার পছন্দ করতেন। তিনি আমিষ খেতেন না। তিনি পশু হত্যার বিরুদ্ধে ছিলেন যার ফলে তিনি আমিষ খেতে পছন্দ করতেন না তিনি সর্বদাই নিরামিষ খেতে পছন্দ করতেন।

এক সময় তিনি প্রাণী হত্যার বিরুদ্ধে আইন ও আনেন।

1932 সালের ভোটের সময় হিটলারের নাজি দল সর্বাধিক ভোটে ক্ষমতায় আসেন এবং হিটলারের নাজি পার্টি 230 টি সিট পেয়েছিলেন। কিন্তু হিটলারের এই পার্টির অধিকারের হারে ভোট পেয়েছিলেন তাই হিটলার তখন রাষ্ট্রপতি হতে পারেননি।

1933 সালে জার্মানির চ্যান্সেলর হয়ে ওঠেন হিটলার। চ্যান্সেলর অর্থাৎ চ্যান্সেলরের যে রকম ক্ষমতা আমাদের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অধিকারী। হিটলার এইভাবে 1933 সালে জার্মানির চ্যান্সেলর হলেন এবং চ্যান্সেলর হয়ে ওঠার পরেই হিটলার শুরু করেন সমগ্র  ক্ষমতাকে একত্রিত করাতে। এবং নিজের দিকে কেন্দ্রিভুত করার কাজ। হিটলার প্রথমেই পার্লামেন্ট কে ভেঙে এবং পার্লামেন্টের সকল কাজ নিজের অধীনে নিয়ে আসেন তারপর বিপরীত দলগুলিকে তিনি ইললিগ্যাল ঘোষণা করেন। অর্থাৎ হিটলারের বিরুদ্ধে আর কোন দল থাকবে না। এবং তার সাথে সাথে রয়েছে হিটলারের সেই ভাষণ হিটলার সেই ভাষণে সমগ্র জার্মানিকে একত্রিত করতে থাকলেন এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে গোটা জার্মানিকে একত্রিত থাকলেন এবং ইহুদীদের বিরুদ্ধে রাগ গোটা জার্মানির মনে আনতে শুরু করলেন। তিনি নানান আইন মানাতে শুরু করলেন। নানান ভাবে নানান ক্ষমতায়  নিজের অধীনে আনতে শুরু করেন।

আর 1934 খ্রিস্টাব্দে হিটলার নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের জর্জ ঘোষণা করেন। তারপর ওই বছরই 1934 খ্রিস্টাব্দে নিজেকে ডেকে দেশের প্রেসিডেন্টও ঘোষণা করেন।      এবং সকল কিছু হিটলার নিজের অধীনে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। এরপর 1933 থেকে 1938 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বহু জার্মানিরা হিটলারের নেতৃত্বে বহু ইহুদিকে হত্যা করেন আর তার সঙ্গে শুরু হয় সকল দেশ কে দমিয়ে রাখার চেষ্টা। এবং নানান দেশকে হিটলার অধিগ্রহণ করতে শুরু করেন। চারিদিকে হিটলার নিজের ক্ষমতা চালু করতে শুরু করেন। দেশকে নিজের অধীনে আনতে এবং জার্মানির পতাকা উত্তোলন করতে হিটলার সমর্থিত হন। নানান জায়গায় নিজের অধীনে করে নিয়েছিল ঠিকই কিন্তু যখন তিনি পোল্যান্ড হামলা করে তখন ব্রিটেন বাধ্য হয়ে হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে। পোল্যান্ডের সঙ্গে ব্রিটেনের  একটি চুক্তি হয়েছিল যদি কখনো পোল্যান্ডে কেউ হামলা করলে ব্রিটেন তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবে। সেই চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটেন বাধ্য হয় জার্মানির প্রতি যুদ্ধ ঘোষণা করতে। এবং তার সঙ্গে আরো নানান দেশ আসতে শুরু করে এবং শুরু হয়ে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আমরা  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের  আর একটি পোষ্টের মধ্যে এই সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারটি কমপ্লিট করব এবং সেখানে কোন কোন দেশ কিভাবে আক্রমণ শুরু করল এবং তার বিস্তারিত ঘটনাগুলি আমার নেক্সট পোস্টে আলোচনা করব।

শুরু হয় রস্ক হামলা রুস্ক হামলা করার পর কিছু অংশ জার্মানীর কিছু অংশ রুশ যখন হামলা করে তখন সেটিও ভারী হয়ে যাই হিটলারের পক্ষে।

 তারপর 1941 খ্রিস্টাব্দে ব্রিটেন আক্রমণ করলে জার্মানির তাতেই ইউএসএ বাধ্য হয় হিটলারের প্রতি আক্রমণ করতে এবং হিটলারের প্রতি সৈন্য প্রেরণ করতে। এরপর খারাপ হয়ে যায় এবং 1945 সালে জার্মানির ক্যাপিটাল বার্লিনের দিকে রশের সৈন্যরা আসতে শুরু করে এবং ততদিনে পরিস্থিতি ততটাই খারাপ হতে থাকে। হিটলার বুঝতে পারে তার আর বেশিদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। সে সময়ের মধ্যে জার্মানির কিছু জনগণ হিটলারের বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন এবং ইটালির ডিক্টেটর কে মেরে ফেলা হয়েছিল পরিস্থিতি খুবই খারাপ হয়েছিল হিটলার বুঝতে পেরেছিল তার আর বেশিদিন নেই ডিক্টেটর যখন মারা গেছে তখন তিনি নিজেই নিজের মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান তার মৃত্যুর একদিন আগে তার বান্ধবী ইভা ব্রাউনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইভা ব্রাউন ছিলেন হিটলারের প্রথম এবং শেষ ভালোবাসা যা হিটলার মরার এক দিন আগে তাকেই বিয়ে করেন। আর তারপরের দিন যখন রুশ হিটলারের দরজায় এসে পৌঁছায় তখন তার স্ত্রী ইভা ব্রাউন সাইনেটকে মৃত্যু বরণ করে নেন। হিটলারের মৃত্যু নিয়ে অনেক কথা উঠেছিলো অনেকেই মনে করেন হিটলার নিজের হাতে নিজের গুলি নিজেকে মেরে ফেলেন আবার অনেকেই মনে করেন সাইনেট কে আত্মহত্যা করেছেন আবার একথাও প্রচলিত আছে যে হিটলার মরেনি হিটলার পালিয়ে রয়েছে। শেষ জীবন নিরাপদ জায়গায়  কাটিয়েছিলেন। এবং এ কথা শোনা যায় যে হিটলার বলেছিলেন তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর বডিকে চ্যান্সেলর গার্ডেনের নিয়ে যাওয়া হোক এবং সেখানে নিয়ে সেই বডিকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হোক। তো এই ছিল ডিক্টেটর হিটলারের জীবন সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। ধন্যবাদ সবাইক ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য।

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ