কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ ও চিকিৎসা জেনে নিন।

 শরীর সার্বাধিক সুস্থ্যতা  বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভালো রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা অবশ্যই জরুরি। মানব দেহে রক্ত পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা রকম সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। আমাদের দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা অনেক রয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি আরও দিন দিন বেড়েই চলছে।বিশেষ করে কিডনি স্টোক বা বৃক্কে পাথর হওয়ার সমস্যা প্রায়ই শোনা যায়।

কিডনির সবরকম সমস্যার সবচেয়ে বড় রকম সমস্যা হচ্ছ স্টোক বা পাথর হওয়ার সমস্যা। কিডনির স্টোকগুলো প্রাথমিক ভাবে নির্ধারণ করে কিডনির পাথর গুলো কোথায় এবং কিভাবে রয়েছে। কিডনিতে পাথরের আকার আকৃতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিডনিতে যদি পাথর খুব ছোট হয় তাহলে সেটা কোন বেথা ছাড়াই শরীরে দীর্ঘদিন থাকতে পারে ফলে টেরও পাওয়া যায় না।

তাহলে চলুন যেনে নেই কিডনিতে কেন পাথর হয়।

কিডনিতে পাথর জমাট বা তৈরি হওয়ার কারণ এখনো যানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর জমাট বাধার কারণ বলে ভিবেচিত হয়। 

যেমন :

১/ শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়া বা জল কম খাওয়া।

২/ বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য কোন চিকিৎসা না নেওয়া।

৩/ অতিরিক্ত পরিমাণে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণ করা।

৪/ ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত অত্যন্ত আধিক্য।

# কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ 

১/ রক্ত বর্ণের প্রস্রাব 

২/ বমি বমি ভাব অনেক সময় বমিও হতে পারে।

৩/ কোমরের পেছন দিকে ব্যাথা হওয়া ব্যাথা তীর্ব হবে কিন্তুু খুব বেশি ক্ষণস্থায়ী হয় না। ব্যাথা কিডনি থেকে তলপেটে ছরিয়ে যেতে পারে।

কিডনিতে পাথর হলে চিকিৎসা।

কিডনির অবস্থানে প্রচণ্ড ব্যাথা এবং রক্ত বর্ণের প্রস্রাব হলে ডাক্তাররা সাধারণত দুটি সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে। একটি হলো কিডনিতে পাথর এবং অন্যটি কিডনির ইনফেকশন।

তাই কিডনির এক্সরে, আল্ট্রাস্নোগ্রাম, এবং প্রস্রাবের নানা পরীক্ষা নীরিক্ষার পরে সঠিক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে। 

কখনও কখনও প্রচুর জল এবং যথাযথ ঔষধ খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে পরিস্থিতির বাইরে চলে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

সতর্কতা 

১/ কিডনি এবং স্টোক ঝুঁকি কমাতে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে।

2/ কখনও প্রস্রাব আটকে বা চেপে রাখাযাবে না। প্রস্রাবের বেগ আসলে চেষ্টা করবেন সঙ্গে সঙ্গে প্রস্রাব করার।

৩/ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন C যুক্ত খাবার খেতে হবে।

৪/ দুধ ও পনির এবং অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার না খাওয়াই ভালো।

5/ বারবার কিডনি ইনফেকশন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

পোস্টটি শেয়ার করে জন সাধারণের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ করে দিন ।

**নিয়মিত স্বাস্থ্য সক্রান্ত পরামর্শ পেতে 

websoriful.com এর সাথেই থাকুন।

Comments

You must be logged in to post a comment.

লেখক সম্পর্কেঃ

I"m a professional digital marketer.